আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়ে অনেকটা নির্ভারই ছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে ৩ উইকেট তুলে এগিয়ে থেকেই পঞ্চম দিন শুরু করে টাইগাররা। কিন্তু শেষ দিনে আবু ধাবিতে কঠিন প্রতিরোধ গড়েছেন আফগান ব্যাটাররা। অবশ্য উইকেট থেকেও কিছুটা বাড়তি সহায়তা পাচ্ছেন তারা।
পঞ্চম দিনে উইকেটে যতটা স্পিন ধরার কথা, ততটা দেখা যাচ্ছে না। ফলে মিরাজ-তাইজুলদের সহজেই খেলতে পারছেন। প্রথম সেশনে মাত্র একটা উইকেট তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ, সেটাও পেয়েছেন পেসার এবাদত। ফলে বাকি দুই সেশনে ৬ উইকেট তুলে ম্যাচ জেতা মোটেও সহজ কাজ হবে না।
৪ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২১৪ রান। ৭৬ রান নিয়ে উইকেটে আছেন সেদিকুল্লাহ অটল, আরেক অপরাজিত ব্যাটার ইসমাত আলম। জয়ের জন্য আফগানিস্তানকে করতে হবে আরো ২৬৫ রান, বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ উইকেট।
৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। সামনে বড় লক্ষ্য থাকায় শুরু থেকেই ড্রয়ের দিকে মনযোগ দেয় আফগানরা। সকালের সময়টুকু দেখে-শুনে পার করেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার অটল ও হাশমতউল্লাহ শাহিদি।
একাধিকবার বোলিং পরিবর্তন করেও সাফল্যের দেখা পাচ্ছিলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বিশেষ করে স্পিনাররা হতাশ করেন। শেষদিনে উইকেটে অনেক ফাটল দেখা যায়, যেগুলো কাজে লাগিয়ে বাড়তি টার্ন আদায় করেন স্পিনাররা। কিন্তু আবু ধাবির এই উইকেটে খুব বেশি ফাটল ধরেনি। ফলে বেশ সাদা-মাটা বোলিং করেছেন বাংলাদেশের স্পিনত্রয়ী তাইজুল-মিরাজ-নাঈম।
আবু ধাবির উইকেট ব্যাটারদের পক্ষে থাকলেও প্রচণ্ড গরমে টানা ব্যাটিং করা সহজ কাজ না। প্রথম সেশনেই ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে শাহিদিকে। ৩৩ বলে ২০ রান করেন তিনি।
লাঞ্চের কিছুক্ষণ আগে উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। ৭৮তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে খাটো লেংথে করেছিলেন এবাদত হোসেন। সেখানে পুল করতে গিয়ে ভুল করেন ইকরাম আলিখিল।
ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটের পেছনে, সেখানে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নেন উইকেটকিপার লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ইকরামের ব্যাট থেকে এসেছে ৬৯ বলে ৩৩ রান।