মূল সংবাদে যান
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় বাড়ল গ্যাস সরবরাহ

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় বাড়ল গ্যাস সরবরাহ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। সোমবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তার ঘোষণার পরই গত দুই দিনে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ প্রায় আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে।

চাহিদা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরাসরি পরিস্থিতি তদারক করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। দিনে দুবার শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন তিনি।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সচিবালয়ে নিজ দফতরে বসে অন্তত ২৫টি শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে গ্যাসের প্রাপ্তি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

এ সময় কয়েকজন শিল্প মালিক প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে সরকারের তরফ থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়ার কালচার আগে দেখিনি। বিষয়টি তাদের অবাক করেছে।

জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুদিন আগে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সরাসরি মনিটরিং করারও নির্দেশ দিয়েছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ভাসমান টার্মিনালে অগ্নি দুর্ঘটনার পর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়। সরকার বিষয়টি সিরিয়াসলি নিয়েছে। এজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশও করেছি।

দেশের শিল্প উৎপাদনে যেকোনো সংকটে আপনাদের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।’ শিল্প মালিকদের অনেকেই প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন। সরবরাহ পরিস্থিতি জানতে চাচ্ছেন। কোথাও সংকট থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে বলেছেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দিনরাত এ নিয়ে কাজ করছেন। একটি দায়িত্বশীল জনগণের নির্বাচিত সরকার জনস্বার্থের বিষয়টি ছোট করে দেখতে পারে না।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া। আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে তা পেয়েছি। এখন চেষ্টা করছি এর দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের। ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হব। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ‘দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ২৬০-২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।’

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

ভারত-পাকিস্তান নৌবাহিনীর সংঘর্ষ

পরের সংবাদ

সাতক্ষীরায় ঘরের ভেতর মিলল নকল সার-কীটনাশকের আস্তানা

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।