অ্যানফিল্ডে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে ঘরের মাঠে এটিই অলরেডদের যৌথভাবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয়। এর আগে এই প্রতিযোগিতায় ঘরের মাঠে তিনের বেশি গোলের ব্যবধানে কখনো হারেনি তারা।
অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের সবচেয়ে বড় হারের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ৪-১ গোলের দুটি পরাজয়। ২০০৫ সালে চেলসি এবং ২০২১ সালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে। এরপরই ৩-০ গোলের হারের তালিকায় যুক্ত হলো রোববারের ম্যাচটি; যার আগের দুটি ছিল ২০১৫ সালে ওয়েস্ট হাম ও ২০২৫ সালে নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিরুদ্ধে।
ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে আর্লিং হলান্ডের গোলে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড জেরেমি ডোকু। আর ৭৮তম মিনিটে ফ্রান্সের রায়ান চেরকি লিভারপুলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।
মাত্র ১৩ মিনিটের ঝড়ে এই তিন গোল হজম করে লিভারপুল। ম্যাচের ৬২তম মিনিটে ডাচ মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবার্খ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। এরপরই ভেঙে পড়ে তাদের রক্ষণ।
এই জয়ের পর ৬ ম্যাচে পূর্ণ ১৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রাখল পেপ গার্দিওলার দল। অন্যদিকে ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে নেমে গেছে লিভারপুল।
ম্যানচেস্টার সিটির পরবর্তী মিশন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। আগামী বুধবারে ঘরের মাঠ ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) মুখোমুখি হবে তারা।
উল্লেখ্য, ৯ বছর ধরে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে স্বাধীন কমিশন কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এটিই ছিল ম্যানচেস্টার সিটির প্রথম মাঠে নামা। ক্লাবটি অবশ্য এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।