বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন জার্সি নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহের কমতি নেই। তবে নতুন জার্সিটি কিনতে আগের তুলনায় কিছুটা বেশি খরচ করতে হবে।
অফিসিয়াল জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর খেলোয়াড়ের নাম ও জার্সি নম্বরসহ সংস্করণটির দাম পড়বে ১ হাজার ৭০০ টাকা।
গত মাসেই নতুন জার্সি উন্মোচনের কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সিটি উন্মোচন করা হয়।
উন্মোচনের পর জার্সির তুলনামূলক বেশি দাম নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন আবিদ। তার দাবি, আগের তুলনায় এবার জার্সির কাপড়ের মান উন্নত করা হয়েছে।
পাশাপাশি জার্সি তৈরি, বিপণন এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিতে উল্লেখযোগ্য খরচ হচ্ছে। এসব কারণেই নতুন জার্সির দাম কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে।
জার্সি বিক্রি থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রয়্যালটি পাবে বলে জানিয়েছেন আবিদ। তবে ঠিক কত টাকা বা কত শতাংশ রয়্যালটি দেওয়া হবে, তা জানাননি তিনি।
জার্সির দাম নিয়ে সমালোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে আবিদ বলেন, 'আমার মনে হয় না দামটা খুব বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায়ও এটি প্রতিযোগিতামূলক।' তার দাবি, তার জানা মতে বাংলাদেশের নতুন জার্সিই বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের জাতীয় দলের জার্সি।
যারা তুলনামূলক কম দামে জার্সি কিনতে চান, তাদের জন্য থাকছে ফ্যান সংস্করণ। এর দাম রাখা হয়েছে ৭০০ টাকা, যা আগের সংস্করণের সমান। তবে আবিদ জানিয়েছেন, এই সংস্করণের দাম সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।
নতুন জার্সি শুধু অনলাইনে বিক্রি করার পরিকল্পনা নেই দৌড়ের। দেশের বিভিন্ন ফিজিক্যাল আউটলেটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও জার্সিটি পৌঁছে দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
ঘরের মাঠের ও অ্যাওয়ে জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। তবে তৃতীয় জার্সিটি এখনো অনুমোদন পায়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর তৃতীয় জার্সি বাজারে আসতে পারে।