নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন।
নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক জানান, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে ১২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে লাশগুলো ইতোমধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিশু তাছফিয়া (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার আব্দুস সামাদ ফকির (৭০), জুয়েল (৪০), সালাম মোল্লা (৪৬), কাশেম (৩৫), শাহীন (৩২) ও শহিদুল ইসলাম (৪৫)।
এছাড়াও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ট্রাকচালক আবুল কালাম (৫৬), নওগাঁর সান্তাহারের ঘোনঠোলা এলাকার রাসেল আলী (৩৩), ফরিদপুর সদরের হিমেজ জামাদার এবং রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বাসচালক মো. সোহেল রানা (৪০) রয়েছেন।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুপুর পর্যন্ত মরদেহগুলো বনপাড়া হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছিল।
বনপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন ঢাকা পোস্টকে জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে তাদের আত্মীয়-স্বজনকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করেন এবং সনাক্তের মাধ্যমে পরিবারের কাছে আমরা লাশগুলো হস্তান্তর করি।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায় নিরূপণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।