মূল সংবাদে যান
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

নেতানিয়াহু আমার সবচেয়ে বড় শত্রু: ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
নেতানিয়াহু আমার সবচেয়ে বড় শত্রু: ট্রাম্প

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিজের ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনের প্রচারণায় ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টার মধ্যে এ কথা সামনে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর নির্বাচনি জনমত জরিপে দুর্বল অবস্থানের কারণেই তাকে এখনো প্রকাশ্যে সমর্থন দিতে রাজি নন ট্রাম্প।

সম্প্রতি নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘বিবি (নেতানিয়াহু) আমার সবচেয়ে বড় শত্রু।’

গত মাসে ওয়াশিংটন সফরের সময় নেতানিয়াহুর নির্বাচনি পরিস্থিতি নিয়েও জানতে চান ট্রাম্প। জবাবে নেতানিয়াহু কিছুটা ইতস্তত করলে তার এক সহযোগী বলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, তিনি জিতছেন।’

তবে বিভিন্ন জনমত জরিপে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলি রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশারের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু জরিপে আইজেনকোটের দল এগিয়েও রয়েছে।

জরিপগুলোতে নেতানিয়াহুর জোটের আসনসংখ্যা ১২০ সদস্যের নেসেটে প্রায় ৫০-এ নেমে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। অন্যদিকে আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে পছন্দ করলেও তার সাম্প্রতিক কিছু নীতি ও সিদ্ধান্তে হতাশ। বিশেষ করে ইরান, লেবানন ও গাজা নিয়ে নেতানিয়াহুর অবস্থান ট্রাম্পকে বিরক্ত করেছে।

ট্রাম্প এখনো নেতানিয়াহুর নির্বাচনি প্রচারণায় প্রকাশ্যে সমর্থন না দিলেও ইসরায়েলি বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

এর আগে জুনে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ‘সম্ভবত’ নেতানিয়াহুকে সমর্থন করবেন। তবে সে সময় তিনি বলেছিলেন, নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী কারা হচ্ছেন, তা আগে দেখতে চান।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সম্পর্কেও টানাপোড়েনের খবর এসেছে। ইরান, লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে দুজনের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

নেতানিয়াহু অবশ্য দাবি করেছেন, গাজা ও ইরান ইস্যুতে প্রয়োজন হলে তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও ইসরায়েলের অবস্থান ধরে রাখতে জানেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

পরের সংবাদ

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়া হবে: মিয়ানমার

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।