মূল সংবাদে যান
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

এবার শীতে ৬ দফায় শৈত্যপ্রবাহ

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
এবার শীতে ৬ দফায় শৈত্যপ্রবাহ
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে ক্রমেই বাড়ছে শীতের অনুভূতি। কার্তিকের শুরু থেকেই বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের উপস্থিতি জানান দিতে শুরু করেছে। শেষরাতে গ্রামাঞ্চলে ঠান্ডার অনুভূতির পাশাপাশি নদী অববাহিকায় দেখা মিলছে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার।

এরই মধ্যে আগামী তিন মাসে দেশে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানুয়ারি পর্যন্ত আবহাওয়ার এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন মাসে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু ও মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এ সময়ে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শীতের প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার ঘনত্বও বৃদ্ধি পেতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, পুরো সময়জুড়ে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শৈত্যপ্রবাহের সময় বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।

এদিকে, আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে এসব লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসতে পারে। এতে ঠান্ডার অনুভূতি বাড়বে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। 

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

দুই ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি, কতদিন পাবেন

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।