সিদ্ধিরগঞ্জে প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী নেতা আলোচিত নারায়ণগঞ্জের ওসমান ফ্যামিলির অঘোষিত ডন হাজী সাহেব নামে পরিচিত মরহুম নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমানের অন্যতম সহযোগী নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির নেতা দলিল লেখক মরহুম মোহাম্মাদ আলীর ছেলে রনি ও জীবন।
তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভুত্থানের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলা থাকার পরেও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, বিগত আওয়ামী সরকারের সময় ১৭ বছর নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের সহযোগীতায় রনি ও জীবন এলাকায় মাদক ব্যাবসা, জমি দখল, চাদাঁবাজি ও কিশোর গ্যাংসহ নানান অপরাধের সাথে যুক্ত ছিল।
তাদের অত্যাচারে অসহায় হয়ে সাধারন মানুষ। তখন সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করারও সাহস পায়নি। আজমেরী ওসমানের সংস্পর্শে গত ১৭ বছর ফুলে ফেঁপে বেশ মোটাতাজা হয়েছেন। আজমেরী ওসমানের সহযোগী হিসেবে তাদের সম্পর্ক ছিল অনেকটা ফেভিকলের জোড়া। বর্তমানেও এই জোড়া বহাল রয়েছে।
তারা একজন অপরের সম্পূরক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। বিগত ১৭ বছর তার শেল্টারে তেল সেক্টর, ঝুট সেক্টর, ভূমিদস্যুতা, দখল, চাঁদাবাজিসহ হেন কোনো কাজ নেই যেখানে পাওয়া যায়নি তাদের দুই ভাইকে। এসব অবৈধ কারবারের মাধ্যমে অঢেল ধন সম্পদেরও মালিক বনেছেন তারা।
সূত্র বলছে, ৫ আগস্টের আজমেরী ওসমান পালিয়ে গেলেও সিদ্ধিরগঞ্জে তার প্রভাব এখনও রয়ে গেছে। বিশেষ করে ১ নং ওয়ার্ড মিজমিজি বাতেনপাড়া , আল আমিন নগর ও মজিববাগ এলাকায় এসব স্থানে এখনো প্রকাশ্যে মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করছেন রনি ও জীবন দুই ভাই।
এসব অবৈধ ব্যাবসায় তাদের সহযোগীতা করছেন স্থানীয় নামধারী কতিপয় বিএনপি’র নেতারা এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।
তারা বলছেন, সন্ত্রাসী দুই ভাই ইতিমধ্যে বেশ কিছু অপরাধ সেক্টর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছেন। তারা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে নিয়মিত মহড়াও দিচ্ছেন। বিগত সময়গুলোতে তারা আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে নির্বিঘ্নে ব্যবসা বাণিজ্য, দখল, চাঁদাবাজি করে গেছেন।
স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা বলেন, তাদের লাগাম এখনই যদি টেনে ধরা না যায় তাহলে সামনের দিনে বিএনপিকে যেমন খেসারত দিতে হবে তেমনি সাধারণ মানুষের কাছেও আজমেরী ওসমানের মতো আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে উঠবে রনি ও জনি বাহিনী।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, সন্ত্রাসী রনি ও জীবনের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে তবুও তারা কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তা জানা নেই। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসেনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।