বাবার মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তির পাওনা। জমির লেনদেন ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের চুক্তি অনুযায়ী পাওয়ার কথা ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং চার কাঠার একটি প্লট। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, বারবার আশ্বাস দিয়েও তাঁদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের। পরিবারের দাবি, প্রয়াত বাবার চাচাতো ভাই দেলোয়ারসহ কয়েকজনের সঙ্গে জমি ও হাউজিং ব্যবসা নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেখানে তাঁকে এক নম্বর অংশীদার হিসেবে রাখার পাশাপাশি লাভের অংশ ও চার কাঠা জমি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
পরিবারটির ভাষ্য অনুযায়ী, জমির লেনদেন বাবদ ৭১ লাখ এবং অবশিষ্ট জমির অংশ কেনার বিষয়ে আরও ৫৯ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। সব মিলিয়ে পাওনা দাঁড়ায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যবসার প্রয়োজনে বিশ্বাস করে জমির মূল কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন তাঁদের বাবা। কিন্তু পরবর্তীতে বারবার চেয়েও কাগজপত্রের ফটোকপি পাননি তাঁরা।
পরিবারটির দাবি, জমিতে প্লট তৈরি ও কেনাবেচা শুরু হলেও অন্য অংশীদাররা তাঁদের অংশ বুঝে নিলেও তাঁদের বাবার পাওনা টাকা, চার কাঠার প্লট কিংবা ব্যবসায়িক অংশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
সমাধানের আশায় বিভিন্ন সময় একাধিক ব্যক্তির কার্যালয়ে গিয়ে আলোচনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা। কয়েক দফায় পাওনা পরিশোধের আশ্বাস ও সময় নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এমনকি পাওনা দাবি করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন বলেও দাবি করেছেন।
পরিবারটির দাবি, কোনো প্রতিহিংসা নয়, তাঁরা চান প্রয়াত বাবার ন্যায্য পাওনা বুঝে পেতে, পরিবারের নিরাপত্তা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত। পাঁচ বছর ধরে চলা এই বিরোধের অবসান কবে হবে, এখন সেই অপেক্ষায় পুরো পরিবার।