মূল সংবাদে যান
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

এতো শক্তিশালী হয়েও কেন হুতিদের ঠেকাতে পারছে না সৌদি আরব?

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
এতো শক্তিশালী হয়েও কেন হুতিদের ঠেকাতে পারছে না সৌদি আরব?

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিপুল সামরিকসরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও, ইয়েমেনেরহুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে সৌদি আরব। 

সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির বিমানবন্দরে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তারকারণে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের ঘরেবসে কাজ করতে হয়েছে।এখন হামলা কীভাবে ঠেকানো যায়, সেই প্রশ্নেরপাশাপাশি পাল্টা আঘাত হানলে সংঘাতআরও বড় হয়ে ওঠারঝুঁকিও বিবেচনা করতে হচ্ছে রিয়াদকে!

বিশ্বের অন্যতম বড় অস্ত্র আমদানিকারকদেশ সৌদি আরব। আন্তর্জাতিকশান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্তযুক্তরাষ্ট্রের মোট অস্ত্র রপ্তানির১২ শতাংশ পেয়েছে সৌদি আরব।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, প্যাট্রিয়টআকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উন্নত রাডার ও আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্রকিনেছে সৌদি আরব। দেশটির ২০২৬সালের বাজেটে সামরিক খাতে বরাদ্দ রাখাহয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা।

তবেবিপুল অস্ত্রভান্ডার থাকলেও সব হামলা ঠেকানোসম্ভব না।  এর কারণ হলো আয়তনে সৌদিআরব অনেক বড় দেশ। এর মধ্যে শুধু ইয়েমেনের সঙ্গেই প্রায় ১ হাজার ২৯০কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে দেশটির। 

আবারও সীমান্তের বড় অংশ দুর্গম মরুভূমির মধ্য দিয়ে গেছে। তাই সৌদি আরবের মতো বিশাল দেশের দিকে ছোড়া  প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা বাস্তব সম্মত নয়। এখানে, কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই শতভাগ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।

এদিকে, এক সময়ের তুলনামূলক দুর্বল সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত হুতিরা এখন শক্তিশালী লড়াকু বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে ফেলছে। এতে আরব উপদ্বীপে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ইয়েমেনে সৌদি আরবের সামরিক হস্তক্ষেপের সময় হুতিদের সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০ হাজার। ২০২৪ সাল নাগাদ তা বেড়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত হয়েছে। 

হুতি ও ইরান একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশল, নতুন অভিজ্ঞতা বিনিময়করে। এছাড়া ড্রোনও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে যুদ্ধকৌশলে অত্যন্ত দক্ষতা অর্জন করেছে হুতিরা। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিজ্ঞতাও তাদের রয়েছে। এসব কৌশল ব্যবহার করে তারা প্রতিপক্ষের রাডার ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে শিখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইয়েমেনে সরকারবিরোধী হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দেয় সৌদি আরব। এ কারণেই দেশটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে গোষ্ঠীটি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ২ দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার

পরের সংবাদ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।