বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করছে বিএনপির হাইকমান্ড। এখন কেবল দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
আসন্ন এ কমিটিতে শীর্ষ পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তিন ছাত্রনেতা- মো. আমানউল্লাহ আমান, মমিনুল ইসলাম জিসান ও শেখ তানভীর বারী হামিম।
সভাপতি পদের জন্য জোরালো আলোচনায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান। জুলাই অভ্যুত্থানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করতে রাজপথে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।
একই পদের অন্যতম শীর্ষ দাবিদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও সদ্য সাবেক ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম। ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাড়া ফেলা এ নেতা গণঅভ্যুত্থানেও সামনের সারিতে ছিলেন।
এছাড়া সভাপতি পদে শ্যামল মালুম, খোরশেদ আলম সোহেল, আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, তারিকুল ইসলাম তারিক ও নাহিদুজ্জামান শিপনের নামও গুঞ্জনে রয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়তা ও শিক্ষার্থীবান্ধব ভাবমূর্তিকে নতুন কমিটি গঠনে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদায় বার্তা দেন বিদায়ী সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। ওই দিনই গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিদায়ী শীর্ষ নেতারা। ২০২৪ সালের ১ মার্চ এ কমিটি গঠিত হয়েছিল।