২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে মাত্র তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
শনিবার যশোর বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড’র সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শতভাগ ফেল করা ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল সাতক্ষীরার এ. কে. ফজলুল হক এমসিএ কলেজে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে একজনও পাস করতে পারেনি। নড়াইলের লোহাগড়ার মাকরাইল করিম খালেক সোলাইমান ইনস্টিটিউট থেকে ৪৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে।
এছাড়া খুলনার কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৭ জন, ঝিনাইদহের মল্লিক শহিদুল ইসলাম কারিগরি কলেজ থেকে ১৯ জন, মাগুরার বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ থেকে ১৫ জন এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ পাস করেনি।
শূন্য পাসের তালিকায় আরও রয়েছে খুলনার ইনডিপেনডেন্স আইডিয়াল কলেজ ১১ জন, যশোরের মণিরামপুরের সবুজ পল্লী কলেজ ৭ জন, কুষ্টিয়ার হাজি নুরুল ইসলাম কলেজ ৮ জন, খুলনার মডেল মহিলা কলেজ ৩ জন, সাতক্ষীরার ইসলামিয়া মহিলা কলেজ ৩ জন, মাগুরার গোপীনাথপুর এম. এ. খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ জন, খুলনার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির ৩ জন, কুষ্টিয়ার জগন্নাথপুর আইডিয়াল কলেজ ১ জন, মেহেরপুরের মোরকা জাগরণ কলেজ ১ জন এবং খুলনার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস ১ জন।
অন্যদিকে, শতভাগ পাসের তালিকায় রয়েছে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে।
খুলনার খালিশপুরের নেভি অ্যাংকরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬১ জন এবং চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।