মূল সংবাদে যান
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন মিসাইল কিনছে ভারত

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন মিসাইল কিনছে ভারত

ভারত এবার একজন মাত্র সৈনিক বহন করতে পারে এমন 'ফায়ার-অ্যান্ড-ফরগেট' প্রযুক্তির মাঝারি পাল্লার ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন মিসাইল কেনার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর।

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতকে 'এফজিএম-১৪৮ জ্যাভলিন মিসাইল' বিক্রির অনুমোদন দেয়। নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এক্স এ দেওয়া এক পোস্টে গোর বলেন, 'বড় খবর! ভারত যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন কেনার পরিকল্পনা করছে।

২০২৬ সালের মে মাসে শাংগ্রি-লা সংলাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিট হেগসেথ এ তথ্য জানিয়েছিলেন। এটি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি এবং যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। আমাদের দুই দেশের যোগাযোগ ও সহযোগিতা এখন রেকর্ড উচ্চতায় রয়েছে।'

দূতাবাস জানিয়েছে, ইতোমধ্যে মার্কিন সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের পাশাপাশি কয়েকটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে।

গোর আরও বলেন, 'এই চুক্তি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের একসঙ্গে কাজ করার নতুন সুযোগ তৈরি করছে। আমরা ভবিষ্যতে সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা দেখছি, যা দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।'

ভারত কতগুলো ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী জ্যাভলিন মিসাইল কিনছে বা এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনায় মোট কত ব্যয় হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে এ বিষয়ে নয়াদিল্লি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্যঃ জ্যাভলিন ট্যাঙ্কের উপরের সেই অংশে আঘাত হানে, যেখান দিয়ে মানুষ ককপিটে প্রবেশ করে। এটি ট্যাঙ্কের সবচেয়ে কম সুরক্ষিত অংশ। ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের পর উল্টো ‘ইউ’ আকৃতির গতিপথে উড়ে গিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

জামায়াত ১৬ বছর আওয়ামী লীগের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল: রাশেদ খাঁন

পরের সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।