দেশে শিগগিরই ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ডিজিটাল ব্যাংকিং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অন্যতম প্রধান অংশ হয়ে উঠবে। তবে এই ব্যবস্থা চালুর আগে সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ক্রেডিট তথ্য ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল ব্যাংকিং খুব শিগগিরই হতে যাচ্ছে।’ তাঁর মতে, দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ এবং ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে ডিজিটাল ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা নিম্ন আয়ের পরিবার, কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতে পারে। সরকারি সহায়তার অর্থ সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছানোর ফলে ব্যাংক হিসাব খোলার প্রবণতাও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, মানুষ যখন কোনো প্রথাগত ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ পাওয়ার সুযোগ পায়, তখন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে এক ধরনের প্রণোদনা তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
ডিজিটাল ব্যাংকিং চালুর ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছেন নীতিনির্ধারকেরা। একই সঙ্গে উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ক্রেডিট তথ্যের সঠিক সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার উন্নয়নে শুধু বাংলা কিউআর বা ডিজিটাল ব্যাংকিং নয়, এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অংশীজনেরা পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা দিতে আগ্রহী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।