মূল সংবাদে যান
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার সময়সীমা বেঁধে দিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)

দেশজুড়ে সমালোচনা ও ইস্তফার দাবি জোরালো হওয়ায় ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ অনুষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা ইস্তফা দেওয়ার জন্য জ্ঞানেশকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। দলের নেতা অভিজিৎ দিপকে বলেছেন, অন্যথায় তাঁরা দেশজুড়ে আন্দোলন করবেন। দ্বিতীয় ‘যন্তর মন্তর’ হবে।

দেশজুড়ে সমালোচনা ও ইস্তফার দাবি জোরালো হওয়ায় ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দুটি জনসংযোগ অনুষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠান দুটির একটি হওয়ার কথা ছিল গত বৃহস্পতিবার, উত্তর প্রদেশের মিরাটে। দ্বিতীয়টি হওয়ার কথা ২৮ সেপ্টেম্বর, উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী ক্ষেত্র বারানসিতে।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার কথা গণমাধ্যমে স্বীকার করেছে। সূত্রের কথায়, নানা কারণে এ ধরনের জনসংযোগ অনুষ্ঠান আগেও স্থগিত রাখা হয়েছে; যদিও সেসব অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার হয় প্রধানত আবহাওয়ার কারণে।

এবার এ দুই অনুষ্ঠান এমন সময় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যখন নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম ও তাতে সিইসির ভূমিকা নিয়ে কমিশনের অন্য দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করেছেন এবং তা নিয়ে পুরো ভারতে সব বিরোধী দল বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব ও শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরেরা সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দাবি করেছেন।

দেশের তরুণ ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তার নাম ইলেকটোরাল লিটারেসি ক্লাব (ইএলসি)। প্রধানত তরুণদের গণতন্ত্র, নির্বাচন, ভোটের অধিকার, ভোটদান ও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম সম্পর্কে সজাগ, উৎসাহিত ও অবহিত করা এ কর্মসূচির লক্ষ্য। মানুষ যাতে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে আগ্রহী হন, ভোট দিতে এগিয়ে আসেন, এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেই সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।

গণতান্ত্রিক সচেতনতা কাদের মধ্যে জাগাতে হবে, সে বিষয়ে ইসি তার টার্গেট গ্রুপও তৈরি করেছে। প্রধানত জেন আলফা, অর্থাৎ যেসব স্কুলপড়ুয়ার বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে ও যারা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে এবং জেন–জি, যাঁদের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তাঁরা ছাড়াও ইসি গ্রামীণ মানুষদের মধ্যে যায়। এই একই লক্ষ্যে সেখানে ‘ভোট পাঠশালা’র আয়োজন করা হয়। উত্তর প্রদেশের মিরাট ও বারানসিতে এমনই দুটি অনুষ্ঠানে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের যাওয়ার কথা ছিল।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

মালয়েশিয়ার কাছে বড় হারে শুরু বাংলাদেশের

পরের সংবাদ

এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।