মূল সংবাদে যান
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলা: ডনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় সিআইডি

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
সালমান শাহ হত্যা মামলা: ডনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় সিআইডি

ঢালিউডের চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলচরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

সিআইডির তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে রহস্যের আবরণে থাকা সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে তদন্ত করছে সংস্থাটি।

গ্রেফতার ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে মামলার অন্য আসামিদের ভূমিকা, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং ঘটনার সময়কার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে।’

সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের বিশেষ পুলিশ সুপার বেনজির আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে।

গত ৯ আগস্ট ভোরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বলেন, ‘গ্রেফতার আসামি ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। মামলার অন্য আসামিরা সবাই দেশেই আছে। তাদের কেন এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। তদন্তের পর আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এটি হত্যাকা­ণ্ড এবং হত্যা মামলা হিসেবে নিতে হবে।

কী কারণে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিও তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আগে ঘটনাটিকে মিথ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। এখন আসামিদের গ্রেফতার করে তাদের শাস্তির আওতায় আনা এবং কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তা জানা দরকার।’

সালমান শাহকে কেন হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে নীলা চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, চলচ্চিত্রের প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সালমানের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া সোহান, সুকুমার রঞ্জন ও আনন্দ ফিল্মসের সঙ্গেও তার বিরোধ ছিল। সালমান তাদের চলচ্চিত্রে কাজ না করে অন্য ছোট প্রযোজকদের সঙ্গে কাজ করায় চলচ্চিত্র অঙ্গনের একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল বলে তার দাবি।

তার ভাষায়, ‘এটি ছিল ফিল্মি পলিটিক্স। এর সঙ্গে সালমানের স্ত্রীকেও জড়ানো হয়েছিল। সালমানের শ্বশুরবাড়ির পরিবারও এ ঘটনার সঙ্গে পুরোপুরি জড়িত।’

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

বম্বে সুইটস ও বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

পরের সংবাদ

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ৯৫০

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।