যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার পর এবার ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাস থেকে আরও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আগামী অক্টোবরেই এয়ারবাসের সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
এর আগে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছিল। এর মাধ্যমে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
নতুন উড়োজাহাজ আসার আগ পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে লিজে উড়োজাহাজ নেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান বিমানমন্ত্রী।
এয়ারবাস কেনার চুক্তি হলে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা আরও বাড়বে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এয়ারবাস আমরা ১০টা নিতে চাই; মিক্স ফ্লিট করতে চাই।
১০টা এয়ারবাস যদি আমরা এই মাসেই আমরা স্বাক্ষর করি তাহলে আমাদের দাঁড়াবে ৩৫টি নতুন কেনা এবং ১৭টি আমাদের এলাইভ (চলছে) যেটা আছে দশ বছর থাকবে; তাতে করে আমরা প্রায় ৫০টির বেশি এয়ারক্রাফট আমাদের থাকবে বলে আমরা আশা করছি। সেগুলো আস্তে আস্তে আমরা ২০৩৬, ৩৭ এমনকি ৪০ সন পর্যন্ত হতে পারে।’
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাহলে আপনারা কোশ্চেন করতে পারেন যে, আপনারা তাহলে এখন চলবেন কি করে? এখন যে আপনাদের এয়ারপোর্টগুলো বাড়াচ্ছেন, নতুন থার্ড টার্মিনাল ওপেন করছেন?’
আমাদের বেশিরভাগ যাত্রী বিদেশি এয়ারক্রাফটগুলো বহন করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ন্যাশনাল ক্যারিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে ২০ শতাংশ মাত্র আমাদের নিজস্ব যে লোকদের দিয়ে আমরা বহন করতে পারছি।
আমাদের ফ্লাই ফ্লিট বাড়ানোর জন্য আমরা চিন্তা করছি ইতিমধ্যে যতক্ষণ পর্যন্ত নতুন প্লেন না আসে, আমরা অন্তপক্ষে ১০টি প্লেন ১০টি এয়ারক্রাফট আমরা লিজে নিব এবং লিজের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছি।’