মূল সংবাদে যান
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

লোকাল বাসের টিকিট বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
লোকাল বাসের টিকিট বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সীমান্তবর্তী ভুরঘাটা এলাকায় লোকাল বাসের টিকিট বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভুরঘাটা সেতুর ওপর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের সময় ভুরঘাটা এলাকার লোকজন মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে রাত ৯টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সকালে ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকার এমারত ঘরামী বরিশালে যাওয়ার জন্য ভুরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। অসুস্থ থাকায় তিনি সামনের আসনে বসতে চান। তবে কাউন্টারের সুপারভাইজার ওই আসন দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের সঙ্গে এমারতের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির পাশের একটি মুদিদোকান থেকে এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনার জেরে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে এমারত ওই কাউন্টারে গেলে আবারও বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় সবুজ ও আকাশের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এর ধারাবাহিকতায় গতকাল সন্ধ্যায় ভুরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, গৌরনদীর খানজাপুর এলাকার ফিরোজ কাজী, এনামুল তালুকদার, কামাল ফকির ও বাবলু মুন্সিকে সঙ্গে নিয়ে বাঁশ ব্যবসায়ী হাবুল ঘরামীকে তুলে আনতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। এরপর দুই উপজেলার লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ভুরঘাটা এলাকার প্রায় ১০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম। তিনি বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপনের স্থান
আগের সংবাদ

জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধ...

পরের সংবাদ

দেশের ৪ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক আরও সংবাদ

বিভিন্ন বিভাগের সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ এক জায়গায় পড়ুন।