নাটোরের নলডাঙ্গায় বড়শিতে ধরা পড়েছে ১৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল আকৃতির চিতল মাছ। পরে মাছটি স্থানীয় বাজারে ১১ হাজার ৪৭৫ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সোনাপাতিল গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত বারনই নদীতে মাছটি ধরা পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় সোনাপাতিল এলাকায় এক তরুণ বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর বড়শিতে বড় আকৃতির একটি চিতল মাছ আটকা পড়ে। পরে মাছটি সোনাপাতিল বাজারে নিয়ে ওজন করা হলে এর ওজন পাওয়া যায় ১৩ কেজি ৭০০ গ্রাম।
বড়শিতে এত বড় চিতল মাছ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাছটি দেখতে বাজারে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। অনেকে মাছটি হাতে নিয়ে দেখেন এবং মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, মাছটি বারনই নদীর মৎস্য অভয়াশ্রম এলাকার হতে পারে। প্রশাসনের নজরে এলে মাছটি আবার নদীতে অবমুক্ত করা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় মাছটি দ্রুত বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
পরে পশ্চিম সোনাপাতিল গ্রামের জামিল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, শামীম হোসেন, শফি উদ্দিন, আবদুল মতিন ও ফজলুর রহমান মাছটি কিনে নেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, মাছটির প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা হিসাবে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে হিসাবে ১৩ কেজি ৭০০ গ্রাম মাছের দাম দাঁড়ায় ১১ হাজার ৬৪৫ টাকা। তবে স্থানীয়ভাবে মাছটি ১১ হাজার ৪৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ কারণে বিক্রয়মূল্যের বিষয়ে ক্রেতা বা বিক্রেতার কাছ থেকে নিশ্চিত বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।
সোনাপাতিল এলাকার পশুচিকিৎসক ডা. মামুনুর রশিদ বলেন, “বড় আকারের চিতল মাছটি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নদীতে এমন বড় মাছ পাওয়া নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় বিষয়।”
মাছটির ক্রেতা শামীম হোসেন বলেন, “মাছটি বড় হওয়ায় কয়েকজন মিলে কিনেছি। মাছটি দেখতে বাজারে অনেক মানুষ ভিড় করেছিলেন।”
বড় আকৃতির চিতল মাছটি ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন।