সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাসহ বেসরকারি পর্যায়ে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনায় মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট, ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকায় জিপ কেনা যাবে।
প্রজ্ঞাপনে বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্যসীমা ও কারিগরি মান নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও অফিসের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কারের সর্বোচ্চ দাম ৫০ লাখ টাকা। এতে কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫০ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ডিসি ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকতে হবে।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন কর্মকর্তাদের জন্য জিপের সর্বোচ্চ দাম ৫৫ লাখ টাকা। এতে ১৫০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকতে হবে।
এ ছাড়া গ্রেড-২ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য জিপের মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা। গাড়িতে কমপক্ষে ২০০ কিলোওয়াট মোটর পাওয়ার, ৫৫ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি, ৪৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ ও ৮০ কিলোওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক।
পরিপত্রে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরিচালন বাজেটের আওতায় সকল ধরনের যানবাহন ক্রয় বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপন বা নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের জন্য টিওঅ্যান্ডইভুক্ত যানবাহন অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কেনা যাবে।
রাজধানীসহ সারাদেশে দৈনিক যে সংখ্যক গাড়ি চলাচল করে, এতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি ব্যয় করতে হচ্ছে। পরিবহন খাতের জ্বালানির সিংহভাগেই আমদানি নির্ভর।
সুতরাং বিভিন্ন কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে পরিবহন খাতে সরাসরি প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক পরিবহন ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে আমদানি নির্ভর জ্বালানির ওপর কিছুটা হলেও চাপ কমবে। সরকারের অর্থ সাশ্রয় হবে।